স্টাফ রিপোর্টার: নওগাঁয় আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মদক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে তিনটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (SICIP)–PKSF প্রকল্পের আওতায় এসব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নওগাঁর রুমিয়া প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন SICIP-এর নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় Food & Beverage Production, Bakery & Pastry Production এবং Beautification বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কর্মমুখী এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আত্মকর্মসংস্থান এবং শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন SICIP-এর যুগ্মসচিব ও উপ-নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মাইনুল হাসান, যুগ্মসচিব ও সহকারী নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক নূরউদ্দিন আল ফারুক এবং যুগ্মসচিব ও সহকারী নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক ভূঁঞা মোহাম্মদ রেজাউর রহমান ছিদ্দিকী। এছাড়া SICIP-PKSF-এর কোঅর্ডিনেটর (ফাইন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) গোলাম রাব্বি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
রুমিয়া প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনতারা ফাহমিদা, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী সূভাষ চন্দ্র হেমব্রম, নাটোর জেলা কমিটির সভাপতি শ্রী রঘুনাথ এক্কা এবং মহাদেবপুর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রী যোগেশ ওরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রুমিয়া প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, নওগাঁর উপদেষ্টা ডা. মো. ময়নুল হক।
আয়োজকরা জানান, বর্তমান শ্রমবাজারের চাহিদা বিবেচনায় প্রশিক্ষণ কোর্সগুলো সাজানো হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে প্রশিক্ষণার্থীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির পাশাপাশি উদ্যোক্তা হিসেবেও নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে খাদ্য উৎপাদন, বেকারি ও পেস্ট্রি এবং বিউটিফিকেশন খাতে দক্ষ জনবলের চাহিদা থাকায় এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মসংস্থানে সহায়ক হবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রান্তিক ও পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।