ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ ধামইরহাটে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের আঘাতে গৃহবধূ নাইচ বেগম গুরুত্বর জখম হয়েছে। গত শুক্রবার সকাল ৯টায় উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের চেয়ারম্যান পাড়ায় এঘটনা ঘটে। জখম নাইচের শশুড় বেলাল হোসেন ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়- বেলাল হোসেনের জায়গার কিছু অংশে জোড় পূর্বক জালাল গং প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে দ’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে জালাল ইটের আঘাতে নাইচ বেগমকে আহত- জখম করে, এতে ঘটনাস্থলেই নাইচ বেগম লুটিয়ে পড়ে। নাইচ বেগম ধামইরহাট হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসা এবং বর্তমানে রামেক হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
মারপিটে জখমের ঘটনায় ধামইরহাট থানায় নাইচ বেগমের মা হেলেনা বেগম বাদি হয়ে জালাল গংকে অভিযুক্ত করে ধামইরহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযুক্তরা হলো,- দূর্গাপুর গ্রামের নাজি হোসেনের ছেলে জালাল হোসেন (৩৫), ও মোস্তাফিজুর (৩০), মোস্তাফিজুরের স্ত্রী শায়লা বেগম ও নাজির হোসেনের স্ত্রী সালেহা বেগম। এবিষয়ে জালাল হোসেনের নিকট জানতে তিনি বলেন, ” আমি বেলাল চাচাকে বলেছি পাকা প্রাচীর না দিয়ে লোকাল প্রাচীর দিচ্ছি ১ফুট জায়াগা ছেড়ে। কিন্তু আমার চাচার ছেলের বউ বাধা দিয়ে আমার মাকে মারে।তাই আমি রাগ চেক দিতে না পেরে আমি নাইচকে ইট দিয়ে আঘাত করি।তবে গ্রাবাসীর মাধ্যমে আপোষের চেষ্টা চলছে।”
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিন্টু রহমান বলেন,” বিষয়টি জানতে পেরেছি, মামলা নিয়ে তদন্ত করে আইনি ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।”