বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
প্রথমে সিভি, পরে ভাইভা—এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে নিয়োগের পদ্ধতি জাতিসংঘ এসেম্বলি হলে সভাপতিত্ব করছেন আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা এরদোয়ানের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যয় নওগাঁয়  প্রতিবন্ধী ও দরিদ্র ৫৬ শিক্ষার্থীকে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকার অনুদান হস্তান্তর রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা আমদানির প্রক্রিয়া নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ বাবার ন্যায্যতার প্রশ্ন, মায়ের আন্তর্জাতিক কূটনীতি, এবার তারেকের নতুন অধ্যায় মান্দার উথরাইল বিলে কৃষকের জন্য সেড, মিলেছে স্বস্তি জাপানে টাইফুন দুজুয়ানে নিহত ৪, বিদ্যুবিচ্ছিন্ন ৪৫ হাজার বাড়ি একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপে আবেদন ২৭ সেপ্টেম্বর, সুযোগ তিন ধরনের শিক্ষার্থীর

মান্দার উথরাইল বিলে কৃষকের জন্য সেড, মিলেছে স্বস্তি

  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১.৪৫ পিএম
  • ৩৩ দেখেছেন:

নজরুল ইসলাম; মান্দা, নওগাঁ: নওগাঁর মান্দা উপজেলার ভারশোঁ ইউনিয়নের উথরাইল বিলে ফসলের মাঠে কৃষক ও শ্রমিকদের বিশ্রাম ও দুর্যোগের সময় আশ্রয়ের জন্য একটি সেড নির্মাণ করা হয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় নির্মিত এ সেডে স্বস্তি ফিরেছে বিলের কৃষক ও শ্রমিকদের মধ্যে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপুর দিকনির্দেশনায় সেডটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উথরাইল বিলের চারপাশে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। বোরো মৌসুমে এ বিলে বিপুল পরিমাণ ধান উৎপাদন করেন কৃষকেরা। ধান কাটা ও মাড়াইয়ের সময় প্রতিদিন বিলের বিভিন্ন অংশে ৪০০ থেকে ৪৫০ জন কৃষক ও শ্রমিক কাজ করেন। কিন্তু আগে সেখানে তাঁদের বিশ্রাম নেওয়া কিংবা বৃষ্টি-ঝড়ের সময় আশ্রয় নেওয়ার তেমন কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বিলউথরাইল গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, বোরো মৌসুমে বিলজুড়ে সোনালি ফসল উৎপাদন হয়। ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হলে প্রতিদিন শত শত শ্রমিক মাঠে কাজ করেন। কিন্তু বিশাল এই বিলে বিশ্রামের জন্য কোনো জায়গা নেই, এমনকি গাছপালাও নেই। কালবৈশাখী ঝড় বা মেঘের গর্জন শুরু হলে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে যেতে হয়।

নজরুল ইসলাম বলেন, প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও কৃষক ও শ্রমিকেরা ফসল ঘরে তোলার কাজ চালিয়ে যান। অনেক সময় বজ্রপাতের ঘটনাও ঘটে। এ কারণে বিলের মধ্যে একটি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রের প্রয়োজন ছিল।

পাকুড়িয়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিলের জুলংগী এলাকায় স্থানীয় লোকজন একটি বটগাছ লাগিয়েছেন। গাছটি এখন কিছুটা ছায়া দিতে শুরু করেছে। ওই মোড় থেকে গ্রামের সড়কের পাশে বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে বেশ কিছু তালগাছও লাগানো হয়েছে। এর পাশাপাশি সরকারি ব্যবস্থাপনায় সেড নির্মাণ করায় দুর্যোগের সময় কৃষকদের আশ্রয়ের একটি ব্যবস্থা হয়েছে।

তবে কয়েকজন কৃষক বলেন, বোরো মৌসুমে উথরাইল বিলের ওই মোড়ে প্রায় ৫০০ মানুষের সমাগম হয়। সে তুলনায় নির্মিত সেডটির আকার ছোট। তাঁদের দাবি, কৃষক ও শ্রমিকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সেখানে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০ মানুষ আশ্রয় নিতে পারে এমন বড় সেড নির্মাণ করা প্রয়োজন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আরিফুল ইসলাম বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ করা টিআর প্রকল্পের আওতায় উথরাইল বিলে সেডটি নির্মাণ করা হয়েছে। কৃষকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের দিকনির্দেশনায় এটি নির্মাণ করা হয়। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য বিলেও এ ধরনের সেবা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু বলেন, ‘উথরাইল বিলসহ উপজেলার বিভিন্ন বিলে কৃষক ও শ্রমিকেরা প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও কঠোর পরিশ্রম করে ফসল উৎপাদন ও ঘরে তোলার কাজ করেন। তাঁদের নিরাপত্তা ও স্বস্তির বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই উথরাইল বিলে কৃষক ও শ্রমিকদের বিশ্রাম এবং ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সেড নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ সূত্র: এফএনএস

শেয়ার করুন

আরও খবর>
© All rights reserved © 2010-2026 Naogaonvision
Theme Download From CreativeNews