জাতিসংঘ এসেম্বলি হলে সভাপতিত্ব করছেন আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
প্রকাশ:
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২.১৭ পিএম
৩৬
দেখেছেন:
ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: জাতিসংঘ হেডকোয়ার্টারে জেনারেল এসেম্বলি হলে ১৯৩টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা বসা; স্টেইজে মহাসচিব তার পাশে সভাপতির উচ্চ আসীনে বসে সবকিছু কন্ট্রোল করছেন আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
এই দৃশ্য আমাদের জন্য নিশ্চিতভাবে গর্ব এবং আনন্দের।
আজকে থেকে শুরু হলো জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে মূল ডিবেট। মহাসচিবের পরেই প্রেসিডেন্ট বক্তব্য রাখলেন, তারপর থেকেই বিভিন্ন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় প্রধানরা বক্তব্য দেয়া শুরু করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও প্রথম সেশনে স্পিচ দিয়েছেন।
কোলাজ ছবিটিতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্ণ কনসেনট্রেশানে স্পিচ শোনবার দৃশ্যটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ফুল হাউজ এড্রেস করে সভাপতির স্পিচ দেওয়ার সময়ের।
সভাপতি ড. খলিলুর রহমানকে এড্রেস করে বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিনিধিরা বক্তৃতা দিচ্ছেন, ডিবেট করছেন। খলিলুর রহমান সমন্বয় করছেন রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে; নিয়ন্ত্রণ করছেন ডিবেট সেশন।
খলিলুর রহমানকে মনে হয় না ইন্টেরিম সরকারের দায়িত্বে আসার আগে খুব বেশি মানুষ চিনতেন। প্রফেসর ইউনূসই উনাকে সামনে আনলেন, তারপর তারেক রহমানও দায়িত্বে এসে তার ব্রেইনকে পুরোপুরিভাবে কাজে লাগাচ্ছেন।
সবাইকে অবাক করে দিয়ে টেকনোক্রেটে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সেখান থেকে জাতিসংঘ পাঠালেন নতুন মিশনে।
খলিলুর রহমানকেই শেষ মুহূর্তে এসে জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি পদে ভোটে দাঁড় করানোর সিদ্ধান্তটি তারেক রহমানের বোল্ড এবং সময়োচিত সিদ্ধান্ত বলে মনে করি।
উনার জেতার পেছনে দুইটি ফ্যাক্টর মূখ্য কাজ করেছে, যে বিষয়টি খলিলুর রহমান নিজেই ক্রেডিট দিলেন প্রধানমন্ত্রী যে সাহস জুগিয়েছেন পিছপা না হওয়ার এবং সঠিক সময়ে সঠিক ডিসিশন নিছেন; সেটি একটি। প্রধানমন্ত্রী দেশের সব কূটনীতিক মিশন একটিভ করেছেন এ বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোর, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্তাদের দিয়েও দেড় মাসে এদেশ থেকে ওদেশে পাঠানো হয়েছিল কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য, সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে কনভিন্স করার জন্য ভোট দিতে।
সেকেন্ড যেই বিষয়টি মূখ্য ফ্যাক্টর ছিলো বাংলাদেশ জয়ের পেছনে, সেটি ভোটিংয়ের আগে ১৩ মে বাংলাদেশ আগের প্রেসিডেন্টের মাধ্যমে জাতিসংঘে গ্লোবাল ইন্টারঅ্যাক্টিভ এক ডায়ালগের আয়োজন করাটা। যেখানেই ক্যান্ডিডেট খলিলুর রহমান সবার মুখোমুখি হয়েছিলেন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে।
প্রফেসর ইউনূস একবার বক্তব্যে এনকারেজ করতে পুলিশ বাহিনীর সামনে বলতেছিলেন, ‘আমরা দুনিয়ার মাঠে খেলা খেলোয়াড়, ছোট মাঠের খেলোয়াড় না। বাংলাদেশটা অপূর্ব দেশ, আমাদের সেই সম্ভবনাও আছে দুনিয়ার সব বড় মাঠে খেলার। দরকার সাহস ও ইচ্ছার।’
প্রফেসর স্যার যেই কথা বলেছিলেন, আমরা পৃথিবীর বড় মাঠে খেলতে পারি, দরকার সাহস ও ইচ্ছার। সেটাই শুরু করলেন তারেক রহমান রিয়েল ‘জেম’ খলিলুর রহমানকে পিক করে সাহস জুগিয়ে মাঠে নামিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে।